【Informação de hoje: Lin Qiuxue, estudante de artes, foi ao hotel Night Rose durante a madrugada para se vingar do namorado por não ter recebido a bolsa que queria】【Informação de hoje: Jiang Xinbai, d
(১/৩)
এই উপন্যাসটি সমান্তরাল জগতের গল্প। এখানে লটারি বা শেয়ারবাজারের কোনো প্রসঙ্গ নেই। বহু নারী চরিত্র ও এক স্বার্থপর নায়ক; নিজস্ব আনন্দেই মত্ত, পাঠকেরা সাবধান।
চৌদ্দই ফেব্রুয়ারি, রাত সাড়ে আটটা, যাদুর শহরের ইচাই বিশ্ববিদ্যালয়।
আজ ভালোবাসা দিবস।
বসন্ত এসে গেছে, সব প্রাণীর মিলনের ঋতু আবার ফিরে এসেছে।
৫২০ নম্বর ছাত্রীনিবাসের ঘরে, শাক্য ও তার তিন বন্ধু একসাথে বসে আছে।
তাদের মধ্যে তিনজন দল বেঁধে অনলাইন গেম খেলছে, ছোট ছোট যুগলদের হারিয়ে নিজেদের হতাশা ভুলছে। মাঝে মাঝে হাসির রোল উঠছে, বুঝতেই পারা যায়, কোনো দুর্ভাগা যুগল তাদের টার্গেট হয়েছে।
শাক্য বিছানায় একা শুয়ে, ফোন হাতে কারো সাথে চ্যাট করছে।
ভালোবাসা দিবসের উচ্ছ্বাস যেন এই ঘরের কারো সাথেই জড়িত নয়।
স্পষ্ট করে বললে, শাক্যের ওই তিন রুমমেটের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই, শাক্য কিন্তু ব্যতিক্রম।
[শ্রীযুক্ত শাক্য: সোনা, আজ তো ভালোবাসা দিবস, সিনেমা দেখতে বের হবে?]
[ধনেপাতা খাই না: সোনা, মা জানে আজ ভালোবাসা দিবস, তাই বাইরে যেতে দেবে না…]
শ্রীযুক্ত শাক্য হচ্ছে শাক্যের অনলাইন নাম, আর ধনেপাতা খাই না তার ইন্টারনেট প্রেমিকা। তাদের এই সম্পর্কের বয়স ছয় মাসেরও বেশি।
ভিডিও কলে কথা হয়েছে, কিন্তু কখনো সামনাসামনি দেখা হয়নি।
শাক্য ভেবেছিল, আজকের এই দিনে সবকিছু সম্ভব হবে, কিন্তু বিধি বাম।
তবু তার কিছু করার নেই, কি সে এবার ইন্টারনেটের তার ধরে গিয়ে পৌঁছাবে?
ঠিক তখনই, তার প্রেমিকা তাকে দশটি সাদা স্টকিং পরা কমবয়েসি মেয়ের ছবি পাঠাল, সাথে লিখল, “সোনা, এগুলোই তোমার ক্ষতিপূরণ~ নিজেই ম্যানেজ করে নিও~”
শাক্য মুচকি হেসে ফোনটা বিছানায় রেখে চুপচাপ ছাদের দিকে তাকিয়ে রইল।
সে কোনো অন্ধ অনুগামী নয়, যতক্ষণ না কিছু পাওয়ার সম্ভা